স্বাগতম; হে তরুণ

স্বাগতম; হে তরুণ, অনেক সম্ভাবনার প্রত্যাশা নিয়ে একটি কুঁড়ি বিকশিত হয়। লক্ষ যোজন পাড়ি দেওয়ার আশা নিয়ে একটি পাখির ছানা ডানা মেলে। বন-বনানী সবুজে সুশোভিত হয় অপার সম্ভাবনা নিয়ে। একটি শিশু বা একটি কিশোর বুকের মাঝে লালন করে ভবিষ্যতের অসীম সম্ভাবনার বারতা। তোমার মাঝেইতো লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের বরেন্য প্রতিভা। কেউ সফল রাষ্টনায়ক হবে, বড় অর্থনীতিবিদ, খ্যাতিমান বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক; মহানায়ক থেকে মহামানব। তোমার মাঝে লুকিয়ে রয়েছে সকল কালের জ্ঞান। অন্ধকার আর পঙ্কিলতার বিঁষে কলুষিত হয়ে যাচ্ছে এ ধরণী। বিপন্ন মানব সভ্যতা, শঠতার হিংস্র থাবায় সত্য ও ন্যায় ভূলুন্ঠিত।

মানব সভ্যতা তিলে তিলে গড়ে উঠেছে মৌলিক কিছু নীতির আলোকে যা সার্বজনীন। সকল কালের, সব সমাজে সমস্ত ধর্ম বিশ্বাসে, ন্যায়; ন্যায় হি্সেবেই গণ্য। অন্যায়, অন্যায় হিসেবেই গণ্য। সত্য সবসময়ই ভাল। মিথ্যা সব সময়ই খারাপ। এই চরম বাস্তবতাকে ভুলে গেলে আমাদের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। তথ্য প্রযুক্তির চরম উন্নতির পাগলা ঘোড়া ছুটছে রকেটের গতিতে। তার সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। ভাল এবং মন্দ সব সময় ছিল; থাকবেও। এরই মাঝে এসো, আমরা মনের মাধুরী দিয়ে সাজাই আমাদের ভুবন। তোমাদের হৃদয়ের ঘুমন্ত প্রতিভাকে যাদুর কাঠির পরশ বুলিয়ে ঘুম ভাঙাতে এল নতুন এক বার্তা। হ্যালো…! হ্যালো…! শিশু-কিশোর, কচি-কাঁচা প্রাণ, অরুন আলোয় বিকশিত সতেজ বলীয়ান। গাইব সবাই তারুন্যের জয়গান। নতুন সূর্য্যদয়ের অভিযাত্রী সেনানী। হে তরুন। এসো এ আলোর মশালে।

হ্যালো… হ্যালো… হ্যালো-টিন!

মোঃ আসলাম হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ও প্রকাশক, হ্যালো-টিন

All News

পলাশী ষড়যন্ত্রকারীদের পরিণাম

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন তারিখে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন এবং ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সূচিত হয়। প্রকৃতপক্ষে এটা যুদ্ধ ছিল না, কারণRead More

ইচ্ছে

পরী